সর্বশেষ সংবাদ :

নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হতে বাংলাদেশের সহযোগিতা চায় ভিয়েতনাম


২০২০-২০২১ মেয়াদে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য পদে প্রার্থিতার পক্ষে বাংলাদেশের সমর্থন চেয়েছে ভিয়েতনাম।

শুক্রবার ভিয়েতনামের ভাইস প্রেসিডেন্ট ড্যাং থাই নাগক থিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার হোটেল কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাকালে এই প্রত্যাশা ব্যাক্ত করেন।

বৈঠকের পরে পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট ড্যান থাই নগক থিন- দু’জনেই ‘গ্লোবাল সামিট অব উইমেন’ সম্মেলনে যোগ দিতে বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছেন।

ভিয়েতনামের ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গ্লোবাল উইমেন লিডারশিপ এওয়ার্ড-২০১৮তে ভূষিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং তার নেতৃত্বে নারী মুক্তি এবং নারীর ক্ষমতায়ন এবং একইসঙ্গে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন।

ড্যান থাই নগক থিন বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে তার দেশের কর্মকান্ড এবং ব্যবসা-বাণিজ্য উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এটি ভবিষ্যতে আরো শক্তিশালী হওয়া প্রয়োজন।

এ সময় তিনি ঢাকা এবং নমপেনের মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ স্থাপনেও আগ্রহ ব্যাক্ত করেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রী এইচ মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. সাজ্জাদুল হাসান, প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এবং অষ্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের হাই কমিশনার মো. সুফিউর রহমান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে স্থানীয় সময় শুক্রবার ৭টা ৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী থাই এয়ারওয়েজের একটি বিমান সিডনির কিংসফোর্ড স্মিথ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, নারী ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন।

অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার মুহাম্মদ সুফিউর রহমান বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান। বিমানবন্দর থেকে একটি গাড়িবহরে করে ইন্টারকন্টিনেন্টাল সিডনি হোটেলে পৌঁছান। সফরকালে সেখানেই তিনি অবস্থান করবেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী সিডনি যাওয়ার পথে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে প্রায় আড়াই ঘণ্টা যাত্রাবিরতি করেন।

শেখ হাসিনা সিডনির আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে (আইসিসি) শুক্রবার এক অনুষ্ঠানে ভিয়েতনামের ভাইস প্রেসিডেন্ট থাই নগক থিন এবং কসোভোর সাবেক প্রেসিডেন্ট এতিফেত জাহজাগার সঙ্গে এই গ্লোবাল উইমেনস লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড-২০১৮ গ্রহণ করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর ২৯ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়া ত্যাগ করে পরের দিন দেশে ফিরে আসার কথা রয়েছে। Source: rtnn

log

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

shared on wplocker.com