সর্বশেষ সংবাদ :

এবার বাসে ইডেন কলেজ ছাত্রীকে হেনস্থা


রাজধানীর মিরপুরের উদ্দেশে ফার্মগেট এলাকা থেকে একটি যাত্রীবাহী বাসে উঠেন ইডেন মহিলা কলেজের এক ছাত্রী। বাসে উঠে তিনি একটু থমকে যান। চালক, তার সহকারী (হেলপার) আর ২/৩ জন যাত্রী ছাড়া গোটা গাড়িই ফাঁকা। অস্বস্তি বোধ করে বাস থেকে নেমে যাওয়ার চেষ্টা করেন ওই ছাত্রী। এ সময় চালকের সহকারী বলে উঠেন, ‘আপা, ভয় পাইছে, ‘আপা, ভয় পাইছে।’

বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) সুমন কান্তি চৌধুরী এসব তথ্য জানান।

শুধু তাই নয়, বাসের দরজা রোধ করে দাঁড়ান হেলপার এবং বাসের চালকও দরজা আটকে দিতে বারবার বলতে থাকে। এ সময় চালক, তার সহকারী ও বাসের অন্য যাত্রীরা এ নিয়ে হাসাহাসি করতে থাকেন। এক পর্যায়ে খামারবাড়ি পৌঁছে গাড়িটি রুট পরিবর্তন করার চেষ্টা করে। ভয় পেয়ে মেয়েটি চিল্লাচিল্লি করে এক প্রকার চালকের সহকারীকে ধাক্কা দিয়ে নেমে পড়েন।

গত শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে মতিঝিল থেকে চিড়িয়াখানাগামী নিউ ভিশন পরিবহনের একটি বাসে এ ঘটনা ঘটে। পরে ওই কলেজছাত্রী তার হেনস্থার বিষয়টি ফেসবুকে উল্লেখ করেন। এরপর ঘটনার অনুসন্ধানে নামে ডিবি (পশ্চিম) বিভাগের একটি দল।

ডিবি পুলিশের তৎপরতায় অবশেষে বুধবার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে কলেজছাত্রী হেনস্থার ঘটনায় জড়িত সেই বাসচালক মো. দ্বীন ইসলাম (৩৭) ও তার সহকারী মো. বিল্লাল হাওলাদারকে (২৮) আটক করতে সক্ষম হয় ডিবি পুলিশ।

তিনি বলেন, ‘ওই ছাত্রী পুরো ঘটনাটি স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তার নিজের ফেসবুক ওয়ালে তুলে ধরেছিলেন। কিন্তু, তার ফেসবুকের গোপনীয়তা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকায় এবং স্ট্যাটাসের প্রতিক্রিয়ায় অসংখ্য মেসেজ পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি তার ইনবক্স চেক থেকে বিরত থাকেন। ফলে আমরাও তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি।’

এসি সুমন কান্তি জানান, এক পর্যায়ে প্রযুক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে ওই ছাত্রীর সঙ্গে তারা যোগাযোগ করেন। এরপর নিউ ভিশন পরিবহনের বাসের চালক ও হেলপারদের ধারাবাহিক জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে অভিযুক্ত দ্বীন ইসলাম ও বিল্লালকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। Source: rtnn

log

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

shared on wplocker.com